২০২৫ সালের বিপিএল চলাকালেই ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠাই একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলেন বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর কমিটি বিসিবির কাছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি বিশাল তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট চাই বাছাই করে ১ ক্রিকেটারসহ পাঁচজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আইসিসি’র দুর্নীতি বিরোধী বিধিমালা (এন্টি-করাপশন কোড) লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বিসিবি।
শাস্তি পাওয়া ৫ জন হলেন— মো. লুবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার), মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক), রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার), রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার), সামিনুর রহমান ও একমাত্র ক্রিকেটার অমিত মজুমদার।
সবাই ২০২৫ বিপিএলের সঙ্গে জড়িত থাকলেও সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে নবম আসর থেকেই ফিক্সিংয়ের নাম লিখিয়েছেন। তাই তাকেও শাস্তি দিয়েছে বিসিবি।
আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কে কোন অভিযোগ শাস্তি পেলেন—
মো. লুবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার)
ধারা ২.৪.৭ অনুসারে, তার বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (DACO) সহযোগিতা না করা (ধারা ২.৪.৬) এবং তদন্তে বাধা প্রদানসহ তথ্য বা যোগাযোগ মুছে ফেলে প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক)
তার বিরুদ্ধেও টিম ম্যানেজারের মতোই তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করে তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার)
ধারা ২.২.১ অনুসারে, এই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে সরাসরি জুয়া খেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল বা অগ্রগতির ওপর তিনি বাজি ধরেছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার)
অমিত মজুমদারের মতো এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ক্রিকেট ম্যাচের বিভিন্ন দিকের ওপর বাজি ধরা বা জুয়া খেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (Provisionally Suspended) করা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে তাদের অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানানো হয়েছে।
সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’
বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে সামিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’ বা বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি।
তদন্তে দেখা গেছে, তিনি খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, আন্তর্জাতিক জুয়াড়ি চক্রের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ে সহায়তা করার মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।
সামিনুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করেছেন। এর ফলে বিসিবি’র আওতাধীন কোনো কর্মকাণ্ডে আর অংশ নিতে পারবেন না তিনি।
আইসিসি’র দুর্নীতি বিরোধী বিধিমালা (এন্টি-করাপশন কোড) লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বিসিবি।
শাস্তি পাওয়া ৫ জন হলেন— মো. লুবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার), মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক), রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার), রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার), সামিনুর রহমান ও একমাত্র ক্রিকেটার অমিত মজুমদার।
সবাই ২০২৫ বিপিএলের সঙ্গে জড়িত থাকলেও সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে নবম আসর থেকেই ফিক্সিংয়ের নাম লিখিয়েছেন। তাই তাকেও শাস্তি দিয়েছে বিসিবি।
আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কে কোন অভিযোগ শাস্তি পেলেন—
মো. লুবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার)
ধারা ২.৪.৭ অনুসারে, তার বিরুদ্ধে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (DACO) সহযোগিতা না করা (ধারা ২.৪.৬) এবং তদন্তে বাধা প্রদানসহ তথ্য বা যোগাযোগ মুছে ফেলে প্রমাণ নষ্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক)
তার বিরুদ্ধেও টিম ম্যানেজারের মতোই তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করে তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার)
ধারা ২.২.১ অনুসারে, এই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে সরাসরি জুয়া খেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল বা অগ্রগতির ওপর তিনি বাজি ধরেছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার)
অমিত মজুমদারের মতো এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ক্রিকেট ম্যাচের বিভিন্ন দিকের ওপর বাজি ধরা বা জুয়া খেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (Provisionally Suspended) করা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে তাদের অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানানো হয়েছে।
সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’
বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে সামিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’ বা বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি।
তদন্তে দেখা গেছে, তিনি খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া, আন্তর্জাতিক জুয়াড়ি চক্রের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ে সহায়তা করার মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।
সামিনুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মেনে নিয়েছেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করেছেন। এর ফলে বিসিবি’র আওতাধীন কোনো কর্মকাণ্ডে আর অংশ নিতে পারবেন না তিনি।
ক্রীড়া ডেস্ক